কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর খরচ: ধরুন আপনি ঢাকা থেকে শিফট করছেন সিলেটে। কিন্তু আপনি এত পরিমান লং রাইট করার মতন যোগ্যতা রাখেন না। সে ক্ষেত্রে আপনার বাইকটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার জানতে হবে কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর খরচ কত টাকা বাংলাদেশে সেই সম্পর্কে। তাই বাইকের দাম কত আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য হতে পারে খুবই জরুরী। কারণ এই ছোট্ট আর্টিকেলটির মাধ্যমে কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর খরচ
কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর খরচ ৩,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়েছে। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের মার্কেটে রয়েছে অনেকগুলো কুরিয়ার্স এজেন্সি। এ সকল এজেন্সি গুলো বাইকের লেনদেন করার জন্য বা পাঠানোর জন্য খরচ নেয় মাত্র তিন হাজার টাকা। তবে ক্ষেত্র বিশেষে অনেকেই কম নিয়ে থাকে খরচ। তবে অবশ্যই আগে বিবেচনা করবেন কোন কুরিয়ার সার্ভিসটি আপনার জন্য বেটার হতে পারে এবং সেই কুরিয়ার সার্ভিসটি সঠিকভাবে সঠিক সময়ের মধ্যে আপনার এলাকাতে বাইকটি প্রোফাইলে দিতে পারবে কিনা। তাই গন্তব্যস্থান কত দূর এবং সে রাস্তাগুলো কতটুকু ভালো সেই সম্পর্কে আইডিয়া করে সঠিক এবং ভালো একটি কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্সির মাধ্যমে নিজের মোটরসাইকেলটি পাঠানোর কথা চিন্তা করবেন।
Read Also:
- বাইকের মবিলের দাম কত ২০২৫
- বাইকের ফগ লাইটের দাম ২০২৫
- বাইকের ব্রেক শক্তিশালী করার উপায়?
- বাইকের সবচেয়ে নিরাপদ ব্রেক কোনটি?
- মোটর সাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি
- অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার নিয়ম
- অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম
- বাইকের সামনের ব্রেক কখন ব্যবহার করতে হয়?
- বাইকের ব্রেক ধরার নিয়ম
- মোটরসাইকেল এর সিসি কি
- মোটরসাইকেলের তেল খরচ কমানোর উপায়
- বাইকের জন্য কোন তেল ভালো
- বাইকের তেল বাঁচানোর সহজ উপায়
- মোটরসাইকেল সার্ভিসিং খরচ
কুরিয়ার ডেলিভারি করতে কত সময় লাগে?
কুরিয়ার ডেলিভারি করতে ৫-৭ দিন সময় লাগবে মিনিমাম। তবে বিভিন্ন সময়ে রাস্তায় অতিরিক্ত চাপ থাকলে সেক্ষেত্রে দেরি হতে পারে। এই বিষয়টি আবার নির্ভর করছে আপনি কতদূর আপনার বাইকটি পাঠাচ্ছেন। যেমন ধরুন আপনি বাইকটি আপনার এলাকা থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে পাঠাচ্ছেন সে ক্ষেত্রে অবশ্যই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কয়েকটি পৌঁছে যাবে। তবে যদি আপনার বাইকটি হয়ে থাকে ৫০০ কিলোমিটার কিংবা ৭০০ কিলোমিটার দূরে গন্তব্যস্থান, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই মিনিমাম ৫ থেকে সাত দিন সময় লাগবে। তবে কাছাকাছি দূরত্ব হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাইক পাকিস্তান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো সম্ভব।
কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানো নিরাপদ কিনা
কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানো ১০০% নিরাপদ তখনই যখন কন্ডিশনে আপনি বাইকটি পাঠাবেন। অর্থাৎ কোম্পানির সঙ্গে ডিল করে নিবেন যে কোন ধরনের সমস্যা হলে কিংবা কোন ধরনের আমার বাইকের ক্ষতি হলে আপনাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এক্ষেত্রে কুরিয়ার কোম্পানি অবশ্যই ১০০% নিরাপত্তার সাথে আপনার বাইকটি পাঠিয়ে দিবে আপনার গন্তব্য স্থানে। তাছাড়াও যখন বাইকটি পাঠাবেন তখন গাড়ির নাম্বার নোট করে নিবেন কোন কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠাচ্ছেন এবং সকল ডিটেল গুলো একটি ভিডিও করে রাখার চেষ্টা করবেন। এতে করে বাইক যদি হারিয়ে যায় কিংবা কোন সমস্যা হয় সে ক্ষেত্রে ভিডিও ডকুমেন্ট আপনি পুলিশের নিকট দিলে সেই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।
আমাদের শেষ কথা
আশা করি আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটির সহায়তায় আপনার জানতে সহযোগিতা হয়েছে কুরিয়ার সার্ভিসে মোটরসাইকেল পাঠানোর খরচ কত হতে পারে সেই সম্পর্কে। যদি আর্টিকেলটি আপনার উপকার হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টে জানাবেন। আর আপনি কোন জায়গা থেকে আপনার বাইকটি কোথায় পাঠাতে চাচ্ছেন কুরিয়ারের মাধ্যমে তা কমেন্ট করুন। আর আপনার পরিচিত বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে যদি কেউ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাইক পাঠাতে আগ্রহী হয়ে থাকে কিন্তু না জেনে থাকে কত টাকা খরচ হবে তাহলে আর্টিকেলটি শেয়ার করুন তাদের সাথে।